তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য স্যামসাংয়ের বিশেষ উদ্যোগ

জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালের মাধ্যমে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি স্যামসাং বাংলাদেশ-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম ‘স্যামসাং এজ’ গত ১২ই মে (২০১৮) রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘স্যামসাং এজ বাংলাদেশ’-এর প্রথম আসরে বিজয়ী হয়েছে মাস্টারমাইন্ডস টীম।

এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা স্যামসাংয়ের বিভিন্ন বিভাগ এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা পান। এছাড়াও নির্বাচিত ছাত্রছাত্রীরা স্যামসাংয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও স্যামসাং এস-৯ প্লাস-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিদর্শনের সুযোগ পেয়েছেন। প্রোগ্রাম শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ-এর জেনারেল ম্যানেজার ইয়াং উ লি এবং জেনারেল ম্যানেজার বোমিন কিম। বিজয়ী দলের প্রত্যেক সদস্য পেয়েছেন একটি করে স্যামসাং ট্যাব এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে ৫ জন পাবেন স্যামসাংয়ে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ-এর জেনারেল ম্যানেজার ইয়াং উ লি বলেন, “উদ্ভাবনী ধারণা ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে স্যামসাং বিশ্বকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে চলেছে। প্রযুক্তি পণ্যের ব্যবহারে বাংলাদেশের তরুণদের পারদর্শী করে তুলতে আমরা ‘স্যামসাং এজ বাংলাদেশ’ প্রোগ্রাম চালু করেছি। এই প্রোগ্রামটির মাধ্যমে বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের প্রযুক্তিগত ও ব্যবসায়িক জ্ঞান অর্জনে অনুপ্রাণিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

প্রশ্নোত্তর পর্বে বক্তব্য রাখেন স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশের হেড অব হিউম্যান রিসোর্স হাবিব হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন, “অনেক সময় আমরা শুনতে পাই, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে আছে। ‘স্যামসাং এজ বাংলাদেশ’ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে কাজ করার অভিজ্ঞতা পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি আয়োজন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত, যেখান থেকে তারা কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা পান এবং নিজেদের প্রস্তুত করতে পারেন।”

প্রসঙ্গত, ‘স্যামসাং এজ বাংলাদেশ’ প্রোগ্রামটি ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু হয়। এই প্রোগ্রামে অংশ নিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করেন এবং অনলাইন উত্তরের ভিত্তিতে প্রায় ১০০জন ছাত্রছাত্রীকে ‘স্যামসাং এজ বাংলাদেশ’ অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত ছাত্রছাত্রীদের ১০টি গ্রুপে ভাগ করা হয়। গ্রুপগুলোকে, প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিস্থিতি এবং বাস্তব জীবনের সমস্যা নিয়ে কাজ করতে পাঁচ মাসে তিনটি টাস্ক দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রতিটি গ্রুপে স্যামসাং-এর পক্ষ থেকে একজন মেন্টর নিয়োজিত করা হয়, যিনি প্রোগ্রামের পুরো সময়জুড়ে তাদের সহায়তা করেন।

ঢাকা আবহাওয়া
০১ জানুয়ারি, ১৯৭০
ফজর
জোহর
আসর
মাগরিব
ইশা
সূর্যাস্ত : ৬:০৬সূর্যোদয় : ৫:৪৪

আর্কাইভ