কার হাতে লাল-সবুজের ঝাণ্ডা?

টিটি২৪ প্রতিবেদকঃ দরজায় কড়া নাড়ছে সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমস। নেপালের কাঠমান্ডু ও পোখরার ১৭টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে এবারের সাউথ এশিয়ান গেমসের খেলা। ২৭টি ডিসিপ্লিন থাকলেও বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে ২৫টিতে। দেশের পতাকা হাতে গেমসের মার্চপাস্টে অংশ নেয়া একজন ক্রীড়াবিদের জন্য গর্ব ও সম্মানের বিষয়। এবারের এসএ গেমসে কার হাতে উঠবে লাল-সবুজের পতাকা? শুটার আবদুল্লাহেল বাকী, শাকিল আহমেদ নাকি ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্তর হাতে।

বাংলাদেশের নিয়মানুযায়ী সাধারণত সর্বশেষ গেমসে সর্বোচ্চ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদই বহন করে থাকেন দেশের পতাকা। সে হিসেবে সর্বশেষ ইন্দোনেশিয়ার জার্কাতায় অনুষ্ঠিত হয় এশিয়ান গেমস। কিন্তু ওই গেমস থেকে শূন্য হাতে দেশে ফিরে আসেন ক্রীড়াবিদরা। একটি পদকও জিততে পারেননি লাল-সবুজের ক্রীড়াবিদরা। তার আগে জুনে অস্ট্রেলিয়ার গোল্ডকোস্টে অনুষ্ঠিত হয় কমনওলেথ গেমস। সেই গেমসে শুটিংয়ে দুটি রুপা জিতেছিলেন আবদুল্লাহেল বাকী ও শাকিল আহমেদ। তারও আগে ২০১৬ সালে গৌহাটিতে অনুষ্ঠিত এসএ গেমসে দুটি স্বর্ণপদক জিতেছিলেন সাঁতারু মাহফুজা খাতুন শিলা এবং একটি করে স্বর্ণ জেতেন শুটার শাকিল আহমেদ ও ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। এবারের এসএ গেমসে খেলছেন না শিলা। তাই পতাকা বহন করার দৌড়ে নাম থাকল বাকী, শাকিল ও মাবিয়ার

এদের মধ্যে আবদুল্লাহেল বাকি ২০১০ গুয়াংজু এশিয়ান গেমস ও গোল্ডকোস্ট কমনওয়েলথ গেমসে লাল-সবুজের পতাকা বহন করেছিলেন। ২০১০ সালে ঢাকা এসএ গেমসে সোনাজয়ী হামিদুল ইসলাম ও ইতি ইসলাম সোনা জেতায় ২০১৬ সালে গৌহাটি ও শিলং দুই ভেন্যুতে পতাকা বহন করেন তারা। তবে পরবর্তীতে আর আলো ছড়াতে পারেননি এই দুই ক্রীড়াবিদ। তাই স্বাভাবিকভাবেই এবারের তালিকায় নেই তারা। ২০১৭ সালে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে পতাকা বহন করেছিলেন পিস্তল শুটার শাকিল আহমেদ

আর গত বছর ইন্দোনেশিয়ায় লাল-সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে মার্চপাস্টে অংশ নেন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। তবে ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে পতাকা বহন করলেও এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস কিংবা এসএ গেমসে সেই সৌভাগ্য হয়নি শাকিলের। তাই এবার নেপালে অনুষ্ঠিতব্য এসএ গেমসে গর্বের লাল-সবুজের পতাকা সর্বশেষ এসএ গেমসে সোনাজয়ী ও কমনওয়েলথ গেমসে রুপাজয়ী এই শুটারের হাতেই উঠবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা

নেপাল এসএ গেমসের ডিসিপ্লিনগুলো হল- আরচারি, অ্যাথলেটিক্স, ক্রিকেট, ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল, বক্সিং, সাইক্লিং, ফেন্সিং, টেবিল টেনিস, হ্যান্ডবল, ভলিবল, উশু, তায়কোয়ান্ডো, ভারোত্তোলন, সাঁতার, কুস্তি, শুটিং, গলফ, কারাতে, কাবাডি, জুডো, খোখো, স্কোয়াশ, টেনিস, প্যারাগ্লাইডিং ও ট্রায়াথলন। তবে বাংলাদেশ শেষ দুটি ডিসিপ্লিন এবং নারী ফুটবলে অংশ নেবে না। গেমসে ৫৮৯ জন ক্রীড়াবিদসহ বাংলাদেশ দলের কন্টিনজেন্টের সেফ দ্য মিশনের দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) উপ-মহাসচিব আসাদুজ্জামান কোহিনুর

টিটি২৪/যু/আ হা/৩৬০

ঢাকা আবহাওয়া
০১ জানুয়ারি, ১৯৭০
ফজর
জোহর
আসর
মাগরিব
ইশা
সূর্যাস্ত : ৬:০৬সূর্যোদয় : ৫:৪৪

আর্কাইভ